Showing posts with label আসবাবের যত্ন. Show all posts
Showing posts with label আসবাবের যত্ন. Show all posts

Tuesday, May 21, 2019

যেভাবে ফার্নিচারের যত্ন নেবেন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  7:56 AM   আসবাবের যত্ন No comments
ফার্নিচার মানুষের রুচির পরিচয় বহন করে। এজন্য অনেকে খুব দামি ফার্নিচার কিনে থাকেন। তবে শুধু এগুলো কিনে রাখলেই হবে না, ঠিকমতো যত্নও নিতে হবে। তা না হলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন না। দামি ফার্নিচার দ্রুত নষ্ট হওয়া মানে অনেক অর্থ অপচয়। এজন্য নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। তাহলেই আপনার শখের আসবাবটি অনেকদিন টিকবে। যেভাবে ফার্নিচারের যত্ন নেবেন-
১. ঘরের যে অংশটিতে বেশি রোদ পড়ে সেখানে কখনও কাঠের আসবাব রাখবেন না। বছরে অন্তত একবার ফার্নিচার পলিশ করুন। ডাইনিং টেবিলে কখনোই গরম জিনিস রাখবেন না। টেবিল ক্লথ ব্যবহার করুন।
২. নিয়মিত শুকনো ও নরম কাপড় দিয়ে কাঠের আসবাব পরিস্কার করুন। ভালো করে খেয়াল রাখুন, আসবাবের খাঁজে ধুলো যেন জমে না থাকে। এক্ষেত্রে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারও ব্যবহার করতে পারেন। তবে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছবেন না। এতে আসবাবের ওপর দাগ পড়তে পারে ।
৩. আসবাবের পোকামাকড়ের উপদ্রব ঠেকাতে নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন। মাঝে মাঝে আসবাবের ডেকোরেশন পরিবর্তন করুন। কাঠের আসবাব এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানোর সময় খেয়াল রাখুন ফার্নিচারের জয়েন্ট পয়েন্টগুলো ঠিক আছে কি না।

কাঠের আসবাব পরিচ্ছন্ন রাখার টিপস

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  7:13 AM   আসবাবের যত্ন No comments
ঘর সাজাতে বাহারি ডিজাইনের কাঠের আসবাবের তুলনা হয় না। কাঠের তৈরী খাট, চেয়ার, টেবিল ও ডেসিন থেকে শুরু করে সব ধরনের ফার্নিচার সবারই নজর কাড়ে। অভিজাত, রাজকীয়, নান্দনিক সব ধরনের বিশেষণই বেশ যায় এই কাঠের আসবাবের সঙ্গে। তবে সামান্য অযত্ন আর অবহেলার কারনে আপনার কাঠের আসবাব নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ঘরের শোভা বাড়াতে কাঠের আসবাব শুধু কিনলেই হবে না, প্রয়োজন এর সঠিক যত্ন ও পরিচ্ছন্নতা। চলুন তাহলে কাঠের আসবাব পরিচ্ছন্ন রাখার ১২টি টিপস জেনে নেই।

১. কাঠের আসবাবপত্র প্রতিদিন শুকনো ও নরম কাপড় দিয়ে মুছুন। কারণ কাঠের আসবাবের ফাঁকে ফাঁকে ধুলো জমে থাকে।

২. ভিজা কাপড় দিয়ে উডেন ফার্নিচার পরিষ্কার করবেন না। এতে আসবাবের ওপরে দাগ হয়ে যাবে।

৩. কাঠের ফার্নিচার চকচকে রাখতে চাইলে ৬ মাস অন্তর পলিশ করাতে পারেন। নানা ধরনের পলিশ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করবেন না। যে কোনো এক ধরনের পলিশ ব্যবহার করুন।

৪. ফার্নিচারে যাতে পোকামাকড়ের উপদ্রব না হয় সে জন্য ছয় মাস পর পর নিম তেল স্প্রে করুন।

৫. পোকামাকড়ের উপদ্রব হলে সেই ফার্নিচার আলাদা করে রাখুন। এরপর ব্যবস্থা নিন।

৬. রোদের মধ্যে কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে কাঠের রঙ নষ্ট এবং হালকা হয়ে যাবে। এ ছাড়া কড়া রোদের তাপে কাঠে ফাটলও ধরতে পারে। ঘরের মধ্যে খুব রোদ এলে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন।

৭. কাঠের টেবিলের উপরে সরাসরি পানির গ্লাস রাখবেন না। ট্রে ব্যবহার করুন গ্লাস রাখার জন্য। তা না হলে পানি লেগে কাঠ নষ্ট হয়ে যাবে।

৮. অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরম এরকম বদ্ধ জায়গায় কাঠের আসবাব স্টোর করবেন না। এতে কাঠ নষ্ট হয়ে যাবে।

৯. ফার্নিচার এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানোর সময় খেয়াল রাখুন ফার্নিচারের জয়েন্টগুলো যেন না ভাঙে।

১০. গরম পাত্র রাখলে অনেক সময় কাঠের রঙ নষ্ট হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নরম কাপড়ে কর্পূর বা মিনারেল স্পিরিট দিয়ে ঘষতে থাকুন। দাগ উঠে যাবে।

১১. কাঠের মধ্যে স্ক্রাচ বা আঁচড়ের মতো দাগ হলে ম্যাচিং স্যু পলিশ ব্যবহার করতে পারেন।

১২. সিগারেটের ছাই পড়ে দাগ হলে স্ক্র্যাচ কনসিলিং পলিশ ব্যবহার করুন। খুব গরম পাত্র টেবিলের ওপর রাখবেন না। এতে কাঠের রঙ নষ্ট হয়ে যাবে, আসবাবের ওপর স্থায়ী দাগ বসে যাবে। টেবিল ম্যাট ব্যবহার করুন।

Friday, January 12, 2018

বর্ষায় কাঠের আসবাবের যত্ন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  11:29 AM   আসবাবের যত্ন No comments
বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হয়। তাই, ঘরে সবসময় কেমন যেন একটা স্যাঁৎসেঁতেভাব থাকে। কখনও কখনও বৃষ্টির জল ঢুকে ভিজিয়ে দেয় ঘরের আসবাব। জল লেগে নষ্ট হওয়ার ভয়ে আজকাল অনেক বাড়িতেই আধুনিক বেলজিয়াম কাচ বা রট আয়রনের আসবাব ব্যবহার করা হয়। যাই হোক না কেন, কাঠের তৈরি কোনও না কোনও আসবাব প্রায় সকলের বাড়িতেই থাকে। সারা বছর সেভাবে নজর না দিলেও বর্ষার স্যাঁৎসেঁতে আবহাওয়ায় সেগুলির আলাদা যত্নের প্রয়োজন হয়। কীভাবে খেয়াল রাখবেন কাঠের তৈরি আসবাবের? আজ থাকল তারই হদিশ-

জানলা বা দরজার সামনে কাঠের আসবাব রাখবেন না। দূরে কোথাও রাখুন। যাতে , কোনও ভাবে জলে না ভেজে। কারণ, বৃষ্টির জলের সংস্পর্শে এলে ক্ষতি হত পারে কাঠের।  

বর্ষায় কাঠে পচন ধরার সম্ভাবনা থাকে। কাঠের আসবাবের ক্ষতি না চাইলে দু’বছরে একবার পালিশ করে নিন। ফলে, আসবাবে থাকা ছোটো ছোটো ছিদ্রগুলির মুখ বন্ধ হয়ে যাবে। সহজে নষ্ট হবে না।

মাটি থেকে সামান্য উপরে রাখুন কাঠের চেয়ার, টেবিল বা আলমারি। নিচে ইঁট বা ওই জাতীয় কিছু রেখে দিন। সরাসরি মেঝেতে রাখলে ভেজাভাবের কারণে ক্ষতি হতে পারে আসবাবের।

এয়ার কন্ডিশনার ঘরের আর্দ্রতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। কাঠের আসবাবের জন্য যা খুবই প্রয়োজন। এয়ার কন্ডিশনার চালান মাঝেমধ্যে।

আর্দ্রতা শুঁষে নিয়ে বর্ষাকালে কাঠের দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়। সেই কারণেই কখনও কখনও দরজা বা ড্রয়ার একবার আটকালে আর খুলতে চায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তেল বা মোম জাতীয় পদার্থ মাখিয়ে রাখুন কাঠের গায়ে। 

ন্যাপথলিন আর কর্পূর স্যাঁতস্যেঁতে ভাব দূর করার জন্য দারুণ কার্যকরী।  তাছাড়া, পোকামাকড় থেকে রক্ষা করার ক্ষমতাও রয়েছে। নিমপাতা বা লবঙ্গও একই কাজ করে। তাই, কাঠের আলমারি বা শো-কেসে রেখে দিন কয়েকটি ন্যাপথলিন বল বা নিমপাতা।

বাজারচলতি একরকম স্প্রে আছে, সেটি ব্যবহার করলে ভেজাভাব থেকে রক্ষা করা যায় কাঠের সামগ্রীকে। ফলে, টেকে অনেক বেশিদিন।

ঘর পরিষ্কার রাখুন। কাঠের আসবাবের পিছনে, নিচে ও কোনায় অনেক সময় ময়লা জমে থাকে। বর্ষাকালে নিয়মিত পরিষ্কার করলে ক্ষতির আশঙ্কা অনেক কম থাকে। 

ভেজা কাপড় দিয়ে কাঠের আসবাব পরিষ্কার করবেন না। শুকনো পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করে ধুলো পরিষ্কার করুন। নাহলে, ধুলো জমে আস্তে আস্তে নষ্ট হতে থাকে কাঠের স্বাভাবিক সৌন্দর্য। 

বর্ষাকালে কাঠের আসবাব রং করা বা নতুন করে তৈরি না করাই ভালো। কারণ, রং সহজে শুকোতে চায় না। ফলে, ক্ষতি হয় কাঠের তৈরি আসবাবের। তাই, এ সময় সাজানোর চেষ্টা না করে পরিষ্কার রাখার দিকে নজর দেওয়া সবথেকে জরুরি। 

গৃহ সজ্জায় আসবাবের যত্ন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  11:19 AM   আসবাবের যত্ন No comments
আসবাবের যত্ন বলতে অনেকেই নিয়মিতভাবে আসবাব পরিষ্কার করা বা এর উপরে পড়া ধুলোর আস্তরণের সাফাইটাকেই বোঝেন। কিন্তু এর বাইরেও আছে অনেক বিষয়। আগ্রহী পাঠকদের কথা মাথায় রেখে এখানে তুলে ধরা হলো আসবাবের যত্নআত্তি’র এমনই কিছু কৌশলের কথা।

বাসস্থানের স্বপ্ন সবাই মনের মনিকোঠায় লালন করে যে স্বপ্নটা, সেটা অনেকাংশেই সুন্দর হয়ে ওঠে একটি সাজানো গোছানো গৃহসজ্জার মাঝে। আর গৃহসজ্জার প্রাণ যে আসবাব বা ‘ফার্নিচার’ সেই আসবাবটি যদি হয় বেমানান তাহলে ঘরের পরিপূর্ণ সজ্জাতেও থেকে যায় অপূর্ণতা। আপনার বাড়ির যেকোনো আসবাবের যত্ন যদি সঠিকভাবে করা যায় তাহলে প্রতি বছর নতুন আসবাব না কিনেও ঘরের সজ্জায় বজায় রাখা যায় একটা নতুন রূপ।

ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশ এর রং হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য প্রয়োজনে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

ডাইনিং টেবিল হোক কিংবা বসার ঘরের সেন্টার টেবিল, কখনোই এগুলোতে সরাসরি গরম জিনিস রাখবেন না। টেবিল এর উপর কোনো ক্লথ বা কাপড় না থাকলে কমপক্ষে একটি কাগজ বা কোস্টার বিছিয়ে তার উপর গরম জিনিস রাখুন। একই ভাবে পানির গ্লাস বা তরল কোনো কিছু রাখতেও একই ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করুন।

অনেকের বাসস্থানেই আসবাবের একটি বড় শত্রু হিসেবে দেখা দেয় নানা রকম পোকামাকড় যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকার উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তে হয় প্রায়শই। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন।

. কাঠের উপর প্রায়শই গোল রিং এর মতো দাগ পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে দাগ পড়া স্থানটি ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল বা মেয়নেজ দিয়ে দাগের উপর ঘষে শুকনো করে মুছে নিন।

. কাঠের আসবাবের উপর গরম কিছু রাখার কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নরম কাপড়ে কর্পূর বা স্পিরিট নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানটিতে ঘষে দাগ তুলে ফেলুন।

. কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে, দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন। এছাড়া বার্নিশ এর পরিবর্তে নানা টেক্সচার এর উড কালার ব্যবহার করেও আসবাবে নতুনত্ব আনতে পারেন।

কাঠের আসবাবের যত্ন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  11:13 AM   আসবাবের যত্ন No comments
ঘর মানে শান্তি, স্বস্তি আর একগাদা স্বপ্ন। ঘরকে স্বপ্নীল ভাষায় প্রকাশের প্রথম শব্দ সেই ঘরের আসবাব। একটি ঘরে প্রবেশ মাত্র সে ঘরের আসবাবের দিকে নজর পড়ে। তাই আসবাপত্র জোগাড় করলেই হবে না, পাশাপাশি প্রয়োজন এর সঠিক যত্ন।

ডাইনিং টেবিল হোক বা নতুন কার্বাড, আজ জেনে নিন উডেন ফার্নিচার যত্নর টিপস-

০ নিয়মিত শুকনো ও নরম কাপড় দিয়ে কাঠের আসবাবপত্র মুছুন। আসবাবের খাঁজে ধুলো যেন জমে না থাকে। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারও ব্যবহার করতে পারেন। তবে ভিজা কাপড় দিয়ে মুছবেন না। আসবাবের ওপর দাগ হয়ে যাবে।

০ কাঠের ফার্নিচার চকচকে রাখতে চাইলে ভাল কোয়ালিটির পেস্ট ওয়্যাক্স ব্যবহার করুন। কাঠের ওপর প্রটেকটিভ লেয়ারের কাজও করবে। বছরে একবার এই পদ্ধতি ট্রাই করতে পারেন। তবে স্প্রে পলিশ বা লেশন অয়েল ব্যবহার করবেন না। আসবার তেলতেলে হলে ময়লা বেশি জমবে।

০ ২-৪ মাস অন্তর পলিশ করতে পারেন। তবে বেশি ঘন ঘন পলিশ না করাই ভাল। সব ধরনের পলিশ না করে এ ধরনের পলিশ বেছে নিন।

০ কাঠের আসবাবে যাতে পোকামাকড়ের উপদ্রব না হয় সে জন্য ছয় মাস অন্তর নিম তেল স্প্রে করা ভাল।

০ পোকামাকড়ের উপদ্রব হলে সেই ফার্নিচারটা আলাদা করে প্লাস্টিক দিয়ে ঢেকে রাখুন। তারপর ব্যবস্থা নিন।

০ রোদের মধ্যে কাঠের ফার্নিচার রাখবেন না। কাঠের রঙ হালকা হয়ে যাবে এবং অল্প ফাটলও ধরতে পারে। ঘরের মধ্যে খুব রোদ এলে ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

০ কাঠের উপর সরাসরি পানির গ্লাস রাখবেন না। উপযুক্ত কোস্টারের ওপর পানির গ্লাস রাখুন। না হলে পানিতে কাঠ নষ্ট হয়ে যায়।

০ বেসমেন্ট, গ্যারেজ বা চিলেকোঠায় ফার্নিচার রাখবেন না। কারণ অতিরিক্ত ঠান্ডা, গরম বা আবদ্ধ জায়গায় কাঠ নষ্ট হতে পারে।

০ কাঠের আসবাব এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরানোর সময় খেয়াল রাখুন ফার্নিচারের জয়েন্ট পয়েন্টগুলো যেন ভাঙ্গা না থাকে। আসবাব সরানোর সময় শক্ত জায়গাটা ধরবেন।

স্টেন রিমুভাল টিপস

০ কাঠের ওপর প্রায়শই গোল রিংয়ের মতো দাগ রয়ে যায়। সেক্ষেত্রে মোটা ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল, মেয়নিজ দিয়ে দাগের উপর ঘষুন। শুকনো করে মুছুন। তারপর পলিশ করে নিতে পারেন।

০ স্ক্র্যাচ বা লম্বা আঁচড়ের মতো দাগ হলে ম্যাচিং স্যু পলিশ বা ফেল্ড মার্কার, ক্রেয়ন দিয়ে ঘষতে পারেন।

০ কাঠের ওপর আঠা লেগে বাসন পরিষ্কার করার স্ক্রাব বা স্টিল উল স্পিরিটে ডুবিয়ে নিন। তারপর দাগের ওপর ঘষুন। শুকনো করে মুছে পলিশ করে নিন।

০ গরম পাত্র রাখলে অনেক সময় কাঠের রঙ নষ্ট হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে নরম কাপড়ে কর্পূর বা মিনারেল স্পিরিট দিয়ে ঘষতে থাকুন। দাগ উঠে যাবে।

০ সিগারেটের ছাই পড়ে দাগ হলে স্ক্র্যাচ-কনসিলিং পলিশ ব্যবহার করুন। খুব গরম পাত্র টেবিলের উপর না রাখাই ভাল।

আসবাবপত্রের সৌন্দর্য বাড়াতে করনীয়

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  2:47 AM   আসবাবের যত্ন No comments

নিজেদের আধুনিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের সৌন্দর্য বাড়াতেও নজর দিতে হয়। আর সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আমরা ঘরে অনেক রকম আসবাবপত্র ও শৌখিন ফার্নিচার কিনে থাকি।

এসব ফার্নিচার ঘরে একাধারে ব্যবহার করতে করতে এক সময় নষ্ট হয়ে যায়। নিয়মিত ও ভালোভাবে ফার্নিচারের যত্ন নিলে সেগুলো নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায় এবং বজায় থাকে সৌন্দর্য। চলুন জেনে নেয়া যাক এর কায়দা কানুন।
১. অনেক দিনের পুরনো ফার্নিচার ভালোভাবে পলিশ করে নিলে ফার্নিচারগুলো নতুনের মতো দেখায়।
২. ফার্নিচারের সঙ্গে মিল রেখে আনুষঙ্গিক জিনিস কিনুন, যাতে দেখতে সুন্দর লাগে। যেমন, কুশন ও এর কালার।
৩. প্রতিদিন সম্ভব হলে ঘরের সব ফার্নিচার পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছুন।
৪. ফার্নিচারের ওপর ধুলোবালি পড়ে থাকলে নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
৫. হার্ডউড মানে ওকের তৈরি ফার্নিচার পরিষ্কার করতে টিক অয়েল ব্যবহার করুন। এতে ফার্নিচারের কালার বজায় থাকবে।
৬. কাঠের তৈরি ছোট কোনো ফার্নিচার কখনোই রোদে ফেলে রাখবেন না বা পানি দেবেন না। এতে জিনিসটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৭. বাঁশের তৈরি কোনো ফার্নিচার রোদে রাখবেন না। পরিষ্কার করতে পানিও ব্যবহার করবেন না।
৮. নরমাল কোনো ফার্নিচারের যদি রঙ উঠে যায় তাহলে নিজেই সেখানে একটু রঙ করে নিতে পারেন। এতে ফার্নিচারটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
৯. আয়রনের তৈরি ফার্নিচার খুব সাবধানে ব্যবহার করুন। এগুলো কখনোই পানি দিয়ে পরিষ্কার করবেন না। পানি লাগলে মরিচা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।
১০. আয়রনের ফার্নিচারের রঙ উঠে গেলে চেষ্টা করুন সঙ্গে সঙ্গে রঙ করে নেওয়ার। এতে আয়রন ভালো থাকবে।
১১. অ্যালুমিয়ামের ফার্নিচার স্যান্ডপেপার দিয়ে পরিষ্কার করুন। মাঝেমধ্যে পলিশ ব্যবহার করলে ফার্নিচারের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
১২. সব সময় পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে ফার্নিচার মুছবেন।
১৩. ফার্নিচারের বিভিন্ন খাঁজে বেশি ধুলোবালি জমে। এসব জায়গায় ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করুন।
১৪. নরম কাপড়ওয়ালা ফার্নিচার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করুন।
১৫. কাঠের কোনো জিনিস পরিষ্কার করতে লেমন অয়েল ব্যবহার করবেন না। এতে কাঠের সৌন্দর্য নষ্ট হতে পারে।
এ কয়েকটি নিয়ম মেনে আসবাবপত্রের যত্ন নিলে, আবশ্যই আপনিভাবে সেটির কাঙ্খিত লক্ষ্য পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।

ফার্নিচার রাখুন নতুনের মত

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  2:40 AM   আসবাবের যত্ন 1 comment
শরীরের যত্ন, ত্বকের যত্ন, চুলের যত্ন কমবেশি সবাই করে। কিন্তু ঘরের ফার্নিচারের যত্ন কতজন নিয়মিত করেন তা বলা মুশকিল। আপনার বাড়ির যেকোনো আসবাবের যত্ন যদি সঠিকভাবে করা যায় তাহলে প্রতি বছর নতুন আসবাব না কিনেও ঘরের সজ্জায় বজায় রাখা যায় একটা নতুন রূপ। আসবাবের যত্ন বলতে অনেকেই নিয়মিত আসবাব পরিষ্কার করাকেই বোঝেন। কিন্তু এর বাইরেও আছে অনেক বিষয়। আগ্রহী পাঠকদের কথা মাথায় রেখে এখানে তুলে ধরা হলো আসবাবের যত্নের কিছু পদ্ধতি।


১. অনেকের বাসস্থানেই আসবাবের একটি বড় শত্রু হিসেবে দেখা দেয় নানা রকম পোকামাকড় যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকার উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তে হয় প্রায়শই। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন।


২. ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশের রঙ হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য প্রয়োজনে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।


৩. ডাইনিং টেবিল হোক কিংবা সেন্টার টেবিল, কখনোই এগুলোতে সরাসরি গরম জিনিস রাখবেন না। টেবিলের উপর কোনো কাপড় না থাকলে কমপক্ষে একটি কাগজ বিছিয়ে তার উপর গরম জিনিস রাখুন। 


৪. কাঠের উপর প্রায়শই গোল রিং এর মতো দাগ পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে দাগ পড়া স্থানটি ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল বা মেয়নেজ দিয়ে দাগের উপর ঘষে শুকনো করে মুছে নিন।


৫. কাঠের আসবাবের উপর গরম কিছু রাখার কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নরম কাপড়ে কর্পূর বা স্পিরিট নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানটিতে ঘষে দাগ তুলে ফেলুন।


৬. কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে, দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন।

Thursday, January 11, 2018

আসবাবের যত্ন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  12:05 PM   আসবাবের যত্ন 2 comments
আসবাবের যত্ন বলতে অনেকেই নিয়মিত ভাবে আসবাব পরিষ্কার করা বা এর উপরে পড়া ধুলোর আস্তরণের সাফাইটাকেই বোঝেন। কিন্তু এর বাইরেও আছে অনেক বিষয়। আগ্রহী পাঠকদের কথা মাথায় রেখে এখানে তুলে ধরা হলো আসবাবের যত্ন আত্তি’র এমনই কিছু কৌশলের কথা-

১. অনেকের বাসস্থানেই আসবাবের একটি বড় শত্রু হিসেবে দেখা দেয় নানা রকম পোকামাকড় যেমন কাঠকাটুনি বা ঘুণপোকার উপদ্রব। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে কাঠের আসবাবের পরিমাণ বেশি তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তে হয় প্রায়শই। এক্ষেত্রে কাঠের আসবাবকে পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য তাতে হালকা নিমের তেল স্প্রে করতে পারেন।

২. ঘরের যে অংশটিতে রোদ পড়ে সেখানে কখনো কাঠের আসবাব রাখবেন না। এতে পলিশ এর রং হালকা হয়ে যাওয়া বা কাঠে ফাটল ধরার মতো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাজেই আসবাবের সামনে বা পেছনে কোনো দিকেই যেন সরাসরি রোদ এসে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন। এজন্য প্রয়োজনে জানালায় ভারী পর্দা ব্যবহার করুন।

৩. ডাইনিং টেবিল হোক কিংবা বসার ঘরের সেন্টার টেবিল, কখনোই এগুলোতে সরাসরি গরম জিনিস রাখবেন না। টেবিল এর উপর কোনো ক্লথ বা কাপড় না থাকলে কমপক্ষে একটি কাগজ বা কোস্টার বিছিয়ে তার উপর গরম জিনিস রাখুন। একই ভাবে পানির গ্লাস বা তরল কোনো কিছু রাখতেও একই ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করুন।

৪. কাঠের উপর প্রায়শই গোল রিং এর মতো দাগ পড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে দাগ পড়া স্থানটি ব্লটিং পেপার দিয়ে চেপে ধরুন। তারপর ব্লটিং পেপার সরিয়ে অলিভ অয়েল বা মেয়নেজ দিয়ে দাগের উপর ঘষে শুকনো করে মুছে নিন।

৫. কাঠের আসবাবের উপর গরম কিছু রাখার কারণে রং নষ্ট হয়ে গেলে নরম কাপড়ে কর্পূর বা স্পিরিট নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানটিতে ঘষে দাগ তুলে ফেলুন।

৬. কাঠের আসবাব বহুদিন পর পর বার্নিশ না করিয়ে বছরে, দেড় বছরে একবার করে বার্নিশ করার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে পুরোনো বার্নিশ এর উপর নতুন প্রলেপ না দিয়ে পুরোনো বার্নিশ পুরোপুরি তুলে ফেলে বার্নিশ এর নতুন আস্তরণ দিন। এছাড়া বার্নিশ এর পরিবর্তে নানা টেক্সচার এর উড কালার ব্যবহার করেও আসবাবে নতুনত্ব আনতে পারেন।

Back to top ↑
© 2013 ফার্নিচার জগত. WP Mythemeshop Converted by Bloggertheme9
Blogger templates. Proudly Powered by Blogger.