Showing posts with label ফার্নিচার ক্রয়. Show all posts
Showing posts with label ফার্নিচার ক্রয়. Show all posts

Tuesday, May 21, 2019

আসবাবপত্র কেনার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  7:49 AM   ফার্নিচার ক্রয় No comments
আপনি যদি নতুন বাসায় উঠে থাকেন এবং সেটাকে যদি নতুন আসবাবপত্র দিয়ে সাজাতে চান তাহলে এমন জিনিস কিনুন যা আপনার ঘরে মানানসই হবে। ঘরে মনের মতো আসবাবপত্র কেনার সময় যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে পারেন তা দেখে নিন :
১. কেমন আসবাবপত্র কিনবেন তা নিশ্চিত হোন
ভারি কাঠ কিংবা হালকা অ্যালুমিনিয়ামের আসবাবপত্র কিনবেন নাকি লোহা কিংবা স্টিল ব্যবহার করবেন, তা নির্ধারণ করুন। কাঠের আসবাবপত্র আপনি দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে পারবেন এবং তা ফ্যাশনেবলও বটে। আপনি যদি ভারি কোনো আসবাবপত্র ব্যবহার করতে না চান তাহলে কাঠের মসৃণ আসবাবপত্র ব্যবহার করতে পারেন। যা ঘরের সৌন্দর্যকে আরো বৃদ্ধি করবে।
২. বাজেট নির্ধারণ করুন
আপনি কী করে সিদ্ধান্ত নিবেন কোন আসবাবপত্র আপনার জন্য সবচেয়ে উত্তম? উত্তর হলো আপনার ‘বাজেট’। অর্থাৎ কত টাকা ব্যয় করবেন আসবাবপত্রের জন্য তা নিশ্চিত হোন। এক জিনিসের জন্য অনেক ব্যয় না করে, একই অর্থে আরো জিনিস কিনতে পারেন।
৩. ডিজাইন নির্ধারণ করুন
আসবাবপত্র কেনার আগে ঘরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খুব সচেতন হয়ে ডিজাইন পছন্দ করতে হবে। মনে রাখবেন আপনার সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে। তাই এমন ডিজাইন পছন্দ করবেন যা ফ্যাশনেবল। তবে ভিন্নভাবেও ঐতিহ্যপূর্ণভাবে ঘর সাজাতে আপনি প্রাচীনকালের ডিজাইনের আসবাবপত্র ব্যবহার করতে পারেন।
৪. থিম নির্বাচন করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘর সাজাতে কতটুকু জায়গার প্রয়োজন এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, জরুরি হলো কতটা নান্দনিকভাবে ঘর সাজাবেন সেটা। তাই ঘরের সঙ্গে মানানসই আসবাবপত্র ব্যবহার করুন।
৫. আসবাবপত্র যাচাই করে কিনুন
সঠিক আসবাবপত্র কেনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো আসবাবপত্র ভালো করে দেখে নেওয়া। আপনি যদি কাঠের আসবাবপত্র কিনতে চান তাহলে অবশ্যই তা ঠিকভাবে ফিনিশিং করা হয়েছে তা ভালো করে দেখে কিনুন। সব সময় ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার চেষ্টা করবেন।
৬. রুমের আকার অনুযায়ী আসবাবপত্র কিনুন
আপনার রুম যদি আকারে ছোট হয় তাহলে বড় বিছানা দিয়ে অযথা জায়গা নষ্ট করবেন না। কারণ বিছানার পাশে ছোট টেবিল ও আলমারি রাখতে হতে পারে। তাই রুমের আকার অনুযায়ী আসবাপত্র কিনলে জায়গার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে এবং ঘর হবে আকর্ষণীয়।
৭. ব্যতিক্রমী কিছু কিনুন
গতানুগতিক আসবাবপত্র না কিনে একটু ব্যতিক্রমী আসবাবপত্র কিনতে পারেন। যা আপনার ঘরের সৌন্দর্যকে ভিন্ন মাত্রায় ফুটিয়ে তুলবে। তবে ব্যতিক্রম বলতে যে খুব দামি হতে হবে তা নয়। আসবাবপত্রের রং এবং আকারে ভিন্নতা আনুন। এ ক্ষেত্রে প্রাচীন কালের ডিজাইনের আসবাবপত্র কিনতে পারেন।

Friday, January 12, 2018

কিনতে পারেন নরমাল স্টিলের খাট

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  12:01 AM   স্টিলের খাট No comments

দাম কম, সহজে বহনযোগ্য ও চমকপ্রদ নকশার স্টিলের তৈরি আসবাবের বাজার বেড়েছে দেশজুড়েই । মধ্য ও নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে শোভা পাচ্ছে এসব আসবাব। ঢাকার সেগুনবাগিচা, শিল্পকলা একাডেমির পাশে, মিরপুর স্টেডিয়াম, মিরপুর-২, প্রগতি সরণি, বারিধারা জে-ব্লক, বাড্ডা, যাত্রাবাড়ি এলাকাতেও পাওয়া যাবে আসবাবপত্রের দোকান। দামও ক্রয়সীমার মধ্যেই।

খাটগুলোর উচ্চতা ৮০০ মিলিমিটার। এর দৈর্ঘ্য ২০৭০ মিলিমিটার থেকে ২২৪০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১৫৬০ মিলিমিটার থেকে ১৭৪০ মিলিমিটার থাকে মোটামোটি। সাইজভেদে, খাট কিনতে পড়বে ৪ থেকে ১০ হাজার টাকা। তানিন ফার্নিচারের রডের খাটটি কিনতে পারেন। এই খাটটির কিছু বিশেষত্ব আছে, মাঝখানে দুই ভাঙ্গা দিয়ে মাত্র এক ফুট জায়গায় গুটিয়ে রাখতে পারবেন একটি খাটকে। দরকার হবে না কোনো ধরনের তোশক কিংবা বেডশীটের। থাকবে না ঘুনে ধরার কোনো ভয়। প্রয়োজনমত হাতে করে খুব সহজে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নেওয়া যাবে এ খাট। স্টিলের পাত দিয়ে তৈরি এটি। এর সাথে এটাচ করা আছে কালার বেড। এ খাটের রয়েছে চারটি পার্ট। পিকনিক স্পট কিংবা সী বিচ যেকোনো জায়গায় খুব সহজে নিয়ে যেতে পারবেন এটি। 

সিঙ্গেল এবং সেমি ডাবল এই দুই ধরনের খাট রয়েছে তানিনে। সিঙ্গেল খাটের দাম ধরা হয়েছে নয় হাজার ৫০০ টাকা আর সেমি ডাবলটির দাম ১৬ হাজার টাকা।

Thursday, January 11, 2018

ফার্নিচার কিনবেন? সেগুন এবং মেহগনি কাঠের ফার্নিচার কিনুন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  11:56 PM   ফার্নিচারের কাঠ 1 comment

ফার্নিচার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে মূলত রেইনট্রি, মেহগনি, কড়াই, সেগুন, গজারী, জাম, আম ও কাঠাল প্রভৃতি কাঠ। সেগুন এবং মেহগনি কাঠের ফার্নিচার দামে বেশি হলেও দারুন টেকসই। বলা হয়ে থাকে সেগুন কাঠ অন্যান্য সব কাঠের চাইতে মজবুত এবং সেইসাথে মূল্যবান কাঠ। সেগুন কাঠের ফার্নিচার দেখলেই বোঝা যায় এটা সেগুন কাঠের তৈরি। তবুও কিছু নিদর্শন দেখলে বোঝা যায় সেগুন কাঠ কি রকমের হয়ে থাকে। তবে ভুলেও জাহাজের কাঠের ফার্নিচার রেডিমেড কিনবেন না বা অর্ডার দিয়ে বানাবেনও না। 

আমেরিকা থেকে আমদানীকৃত রেড ওক কাঠ বেশ ভালো, তবে খুবই এক্সপেন্সিভ। ওক কাঠের ফার্নিচার আমি ব্যবহার করছি, এবং ব্যবহার করে আমি সন্তুষ্ট। ওক কাঠের ফার্নিচার ব্র্যান্ড এবং নন ব্র্যান্ড দুটোই পাবেন। ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে আছে হাতিল, নাভানা, অটবি, নাদিয়া, রিগ্যাল ইত্যাদি। 

এছাড়া মোটামোটি বাজেটের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে আমদানি করা লেমিনেটেড বোর্ড দিয়ে তৈরী ফার্নিচারগুলোও বেশ ভালো। মোটামোটি কিছু আইডিয়া দেবার চেষ্টা করলাম, এবার বুঝেশুনে পছন্দসই ফার্নিচার কিনে ফেলুন। রুচিশীল ও গুণগত মানের বিচারে ফার্নিচার কিনতে চাইলে দামের সাথে একটু আপোষ করতেই হবে আপনাকে।

নতুন বাসার জন্য যেসব পুরাতন ফার্নিচার কিনতে পারেন

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  10:56 AM   ফার্নিচার ক্রয় No comments

ডাইনিং টেবিল


যে কয়টি জিনিস বাড়িতে না থাকলেই নয় তার মাঝে অন্যতম হচ্ছে ডাইনিং টেবিল। এটিতে সবাই মিলে শুধু যে খাবার খাওয়া হয় তাই নয় বরং সারাদিনের সব গল্প সবাই সবার সাথে ভাগও করে নেয়া হয় এখানেই। তাই ডাইনিং টেবিল থাকাটা আবশ্যক। একটি ব্যবহৃত সাধারণ ডাইনিং টেবিল আপনি যেকোনো কাঠের দোকানেই পাবেন। টেবিলের সাথে সাধারণ চেয়ার এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিকও আপনি সেখানেই খুঁজে পাবেন।

 

অল্প দামে এমন একটি ডাইনিং টেবিল ও চেয়ার কিনে ফেলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। পরে যখন হাতে টাকা পয়সা বেশি থাকবে তখন এটি বেচে দিয়ে অন্য দামী ডাইনিং টেবিল কিনে ফেলতে পারবেন। এখন তো আবার ফ্লেক্সিবল টেবিলও কিনতে পাওয়া যায়। এগুলি ভাজ করে ঘরের পাশে রেখে দেয়া যায়। চেয়ারগুলিও একটির উপর একটি রেখে অনেক জায়গা বাঁচানো যায়। এগুলির খরচও তেমন বেশি নয়। আপনি চাইলে এগুলিও কিনে ফেলতে পারেন।

 

সাইড টেবিল



ঘরের অনেক কাজেই সাইড টেবিল লাগে এখন। লিভিং রুমে ছোটখাটো জিনিস রাখতে গেলে, টিভির রিমোট রাখতে গেলে, স্ন্যাক্সের প্লেট রাখতে গেলে একটা সাইড টেবিল লাগে। অনেক সময় রিডিং রুমে টেবিলের পাশে ল্যাম্প রাখতে অথবা পড়ার জন্য কয়েকটা বই রাখতে গেলেও একটি বাড়তি সাইড টেবিল লাগেই। তাই এসব সাইড টেবিল কেনার ক্ষেত্রেও আপনি ব্যবহৃত সাইড টেবিল কিনতে পারেন।

 

তাছাড়া এসব সাইড টেবিল কাঠের আছে আবার প্লাস্টিকের আছে। কিছু কিছু সাইড টেবিলে আবার কয়েক ভাগের কম্পার্টমেন্ট থাকে। সেগুলিতে ডিভিডি বা হালকা কিছু বই রাখতে পারবেন আপনি। তাই নিজের পছন্দ এবং প্রয়োজন বুঝে সে অনুযায়ী সাইড টেবিল কিনবেন। কেনার আগে অবশ্যই দাম যাচাই করে নেবেন।

 

খাট


নতুন বাড়িতে অনেকেই পুরনো খাট নিয়ে যেতে চান না। এর নানা রকম কারণ রয়েছে। হয়তো পুরনো খাটটি ভেঙ্গে গেছে, হয়তো খাটটিতে বসলে আওয়াজ হয়, হয়তো খাটটি ভেঙ্গে যাবে এমন অবস্থায় আছে ইত্যাদি। কিছু ক্ষেত্রে তো খাটে এবং জাজিমে ছারপোকাও থাকে। এই কারনেও অনেকে নতুন বাড়িতে খাট আনতে চান না। কারণ যেটিই হোক না কেন একদম নতুন খাট না কিনে ব্যবহৃত খাট কিনে সেটি কিছু দিনের জন্য ব্যবহার করাটা মোটেও খারাপ কাজ নয়।

 

ফার্নিচারের দোকানে আপনি খুঁজলেই পুরনো খাট পাবেন। কিছু কিছু খাট এতো টেকসই হয় যে পুরনো হলেও সেটি নষ্ট হয় না। সেসব খাট আপনি অনায়াসে আরও পাঁচ সাত বছর ব্যবহার করতে পারবেন। এসব খাট মানুষ বিক্রি করে প্রধানত একটি কারণেই। সেটি হচ্ছে খাটের ডিজাইন। এসব খাটের ডিজাইন খুব পুরনো হয় আর সেই কারণেই সবাই এগুলি বিক্রি করে দেয়। কিন্তু টেকসই থাকার ব্যাপারটি কেউ চিন্তাও করে না।

 

এই কারণেই আপনি এমন খাট কিনে ফেলবেন। এগুলি কিনতে খরচ অনেক কম লাগে। ডিজাইন নিয়ে ভাববেন না। কারণ বেড কভারে আড়ালে খাটের ডিজাইন ঢেকে যাবে। আজকাল তো আবার ফ্লোরের কাছাকাছি থাকে এমন কিছু নতুন ধরণের খাট পাওয়া যায়। এগুলি দেখতেও সুন্দর আবার সহজে ভাঙ্গেও না। এগুলির খরচও কম। এমন ধরণের খাটও আপনি কিনে ফেলতে পারেন আপনার নতুন বাড়িতে ব্যবহারের জন্য। 

পুরাতন ফার্নিচার ঢাকার যেখানে পাওয়া যায়

By Ripon Abu Hasnat   Posted at  10:17 AM   ফার্নিচার ক্রয় 5 comments

পুরনো আসবাব কেনা বেচার জন্য আপনি যেতে পারেন গুলশানে l গুলশান শপিং কমপ্লেক্সের পুরোনো ফার্নিচারের বাজার মার্কেট থেকে আপনি আসবাব ক্রয় এবং বিক্রয় দুটোই করতে পারবেন। পুরো ঢাকা শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য পুরোনো আসবাবের (ফার্নিচার) বাজার। লোকমুখে ফার্নিচার মার্কেট নামেই পরিচিত। 

এসব মার্কেটের মধ্যে গুলশান শপিং কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলার বাজারটি বেশ বড়। প্রায় ১২০টি দোকান নিয়ে এই বাজার। পুরোনো আসবাব কেনা, মেরামত করা, পলিশ করা, রং করা, তারপর বিক্রি করা প্রতিদিনই চলছে অবিরাম। অবশ্য সপ্তাহের রোববার বাদে। গুলশানে নাভানা টাওয়ারের বিপরীতে অবস্থিত এই মার্কেটটি ছাড়াও ঢাকায় কিছু ব্যস্ত পুরোনো আসবাবের মার্কেট রয়েছে, যেখানে রাত-দিন চলে ক্রেতা-বিক্রেতার আনাগোনা। এমন কিছু মার্কেটের খোঁজ দেওয়া হলো: 

♦ পান্থপথের পুরোনো আসবাবের বাজারটির অবস্থান বসুন্ধরা সিটির বিপরীতে মসজিদের পূর্বদিকের গলিতে। শতাধিক দোকান নিয়ে এই মার্কেট। প্রতি মঙ্গলবার বন্ধ থাকে। 

♦ পুরান ঢাকার নয়াবাজারের কাঠপট্টিতে পুরোনো জিনিসপত্রের একটি মার্কেট রয়েছে। প্রতি শুক্রবার বন্ধ থাকে। 

♦ সেগুনবাগিচা মৎস্য ভবন থেকে একটু পূর্বদিকে গেলেই পাওয়া যায় একটি পুরোনো আসবাবের মার্কেট। বন্ধ থাকে শুক্রবার। 

♦ কচুক্ষেত শাপলা চত্বরের সামনে আছে এমন একটি মার্কেট। 

♦ উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরে রয়েছে আরেকটি মার্কেট। সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। 

♦ মোহাম্মদপুর টাউনহলের পাশে শহীদ পার্ক মাঠের চারপাশ ঘিরে রয়েছে মাঝারি আকারের একটি পুরোনো আসবাবের মার্কেট। এ ছাড়া শহরের প্রায় সব এলাকায়ই দু-একটি করে পুরোনো আসবাব বা তৈজসপত্রের দোকান দেখতে পাওয়া যায়। 

এছাড়াও পুরনো আসবাবপত্রের দোকান রয়েছে টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সামনে, আরামবাগ, আজমপুর, মিরপুর স্টেডিয়ামের পাশে। এগুলো ছাড়াও আজিমপুরে ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের পাশে আসবাবপত্রের বেশ বড় একটি মার্কেট রয়েছে। দরদাম : পুরনো আসবাবের দোকানগুলোতে ঘরের নিত্যব্যবহার্য সব ধরনেরই আসবাবের দেখা মিলবে। চেয়ার, টেবিল, খাট, আলমারি, শোকেইস, ড্রেসিং টেবিল, ডাইনিং টেবিল, ওয়্যারড্রব, আলমারি, বুকসেলফ এসবই পাওয়া যাবে হাতের নাগালের মধ্যেই। তবে ডাইনিং টেবিল সেটের প্রতিটি চেয়ারের দামটা একটু বেশি। পুরনো আসবাবের এ দোকানগুলোতে আসবাব ক্রয়-বিক্রয় উভয়ই হয়ে থাকে। দরদাম জিনিসের মানের উপর নির্ভর করে হয়ে থাকে।

Back to top ↑
© 2013 ফার্নিচার জগত. WP Mythemeshop Converted by Bloggertheme9
Blogger templates. Proudly Powered by Blogger.